উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অঞ্চল ভিত্তিক ৪৮টি স্বাধীন দেশ |
|---|
উত্তর আমেরিকা | ৩ টি |
|
|---|---|---|
মধ্য আমেরিকা | ৭টি |
|
ক্যারিবিয়ান অঞ্চল | ১৩ টি |
|
উত্তর আমেরিকা মহাদেশের প্রাথমিক তথ্য
- পানামা খাল খনন করে- যুক্তরাষ্ট্র।
- পানামা খাল যুক্ত করেছে- প্রশান্ত ও আটলান্টিক মহাসাগরকে।
- যুক্তরাষ্ট্র পানামার কাছে পানামা খাল হস্তান্তর করে- ১৯৯৯ সালে।
- ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়- কানাডাকে।
- ‘ইনকা সভ্যতা' ছিল- পেরুতে।
- কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট শুরু হয় - ১৯৬২ সালে।
- পৃথিবীর চিনি উৎপাদনকারী প্রধান দেশ – কিউবা ।
- 'মুক্তার দেশ" বলা হয়- কিউবাকে।
- 'ক্যাম্প এক্সরে'- কিউবার গুয়েনতানামো বে ।
- 'কোস্টারিকা' অর্থ - ধনী উপকূল।
- 'মধ্য আমেরিকার সুইজারল্যান্ড' বলা হয়- কোস্টারিকাকে।
- মাদকদ্রব্য উৎপাদন ও চোরাচালানের জন্য আলোচিত দেশ- কলম্বিয়া।
- 'ফার্ক গেরিলা সংগঠনের দেশ - কলম্বিয়ার।
- ল্যাটিন আমেরিকার বিপ্লবী নেতা চে গুয়েভারার জন্ম - আর্জেন্টিনাতে।
- দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম দেশ - ব্রাজিল ।
- বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল কৃষ্ণাঙ্গ দেশ- ভেনিজুয়েলা ।
- 'ক্ষুদে ভেনিস' নামে পরিচিত- ভেনিজুয়েলা।
- 'পশ্চিমের জিব্রাল্টার বলা হয়- কানাডাকে।
- ফরাসি ভাষাভাষীর লোক কানাডার কুইবেক অঞ্চলে সর্বাধিক।
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় সভ্যতার নাম- মায়া সভ্যতা।
- মায়া সভ্যতা গড়ে ওঠেছিল- মেক্সিকো তথা মধ্য আমেরিকায়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- রাষ্ট্রীয় নামঃ United States of America (USA)
- রাজধানীঃ ওয়াসিংটন ডিসি
- ভাষাঃ ইংরেজি
- মুদ্রাঃ ডলার
মৌলিক তথ্য
আমেরিকা আবিষ্কার করেন ইতালিয় নাবিক কলম্বাস ১৪৯২ সালে। আমেরিগো ভেসপুচি আমেরিকায় আসেন ১৪৯৭ সালে। পরবর্তীতে তার নামে আমেরিকা নামকরণ হয়। প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র গঠিত হয়েছিল ১৩টি রাজ্য নিয়ে। ব্রিটেনের বণিক সম্প্রদায় যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে উপনিবেশ স্থাপন করে ১৬০৭ খ্রিস্টাব্দে। বর্তমানে আমেরিকার ৫০টি রাজ্য রয়েছে। ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
আমেরিকার স্বাধীনতা
- আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ সময়কাল (১৭৭৫-১৭৮৩)।
- আমেরিকা স্বাধীনতা ঘোষণা করে ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস পালিত হয় ৪ জুলাই।
- স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় ইন্ডিপেন্ডেন্ট হল থেকে।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র তৈরি করেন- থমাস জেফারসন।
- স্বাধীনতার নায়ক- জর্জ ওয়াশিংটন।
- স্বাধীনতা লাভ করে ১৭৮৩ সালে প্রথম ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে।
- আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধে ইংরেজ সৈন্য পরিচালনাকারী সেনাপতি ছিল- লর্ড কর্নওয়ালিস।
প্রশাসনিক কাঠামো
যুক্তরাষ্ট্র গঠিত হয় ৫০টি অঙ্গরাজ্য এবং একটি স্বাধীন ফেডারেল জেলা ডিস্ট্রিক্ট অব কলম্বিয়া নিয়ে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পতাকায় ১৩টি রেখা এবং ৫০টি তারা। ১৩টি রেখা দ্বারা স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কালীন ১৩টি রাজ্যকে বোঝানো হয়েছে এবং ৫০টি তারকা দিয়ে ৫০টি অঙ্গরাজ্যকে বোঝানো হয়েছে।
- মোট অঙ্গরাজ্য- ৫০ টি।
- স্বাধীনতা যুদ্ধকালে অঙ্গরাজ্য ছিল- ১৩ টি।
- ১৮০৩ সালে ফ্রান্সের নিকট থেকে ক্রয় করে- লুইসিয়ানা রাজ্যটি
- ১৮৬৭ সালে রাশিয়ার নিকট থেকে ক্রয় করে- আলাস্কা রাজ্যটি।
- জনসংখ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য- ক্যালিফোর্নিয়া ।
- জনসংখ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষুদ্রতম অঙ্গরাজ্য- উওমিং।
- আয়তনে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য- আলাস্কা ।
- আয়তনে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষুদ্রতম অঙ্গরাজ্য- রোডস দ্বীপপুঞ্জ ।
- যুক্তরাষ্ট্র ইউনিয়নে যে স্টেট সর্বশেষে যোগ দেয়- হাওয়াই (১৯৫৯)।
বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটন এলাকায় অবস্থিত ৭টি ভবনের একটি স্থাপনা ।
- স্থাপনাটির সবচেয়ে উঁচু দুটি টাওয়ার ১১০ তলা বিশিষ্ট ছিল।
- উঁচু দুটি টাওয়ারের নামানুসারে এটি টুইন টাওয়ার নামে খ্যাত ছিল।
- ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আল কায়েদার বিমান হামলায় বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
- এই ঘটনাটি Nine Eleven (9/11) নামে পরিচিত।
- টুইন টাওয়ারের ধ্বংসস্তূপ অঞ্চলটি এখন গ্রাউন্ড জিরো' নামে পরিচিত।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র | |
| আবিষ্কারক | ১৪৯২ সালে ইতালিয়ান নাবিক কলম্বাস আমেরিকা আবিষ্কার করেন। |
| নামকরণ | আমেরিগো ভেসপুচির নামানুসারে। |
| স্বাধীনতা লাভ | ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে। |
| স্বাধীনতা দিবস | ৪ জুলাই। |
| স্বাধীনতা যুদ্ধের সর্বাধিনায়ক | জর্জ ওয়াশিংটন। |
| স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসান | ১৭৮৩ সালে 'প্যারিসের শান্তি চুক্তি'র মাধ্যমে স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসান ঘটে। |
| রাজধানী | ওয়াশিংটন ডিসি (District of Colombia) |
| মুদ্রা | মার্কিন ডলার |
| ভাষা | ইংরেজি |
| আয়তন | ৯৮,২৬,৬৭৫ বর্গকি.মি বা ৩৭,৯৪,১০০ বর্গমাইল। |
| অঙ্গরাজ্য | ৫০টি। প্রতিটি অঙ্গরাজ্যে সিনেট সদস্য ২জন। ৫০টি অঙ্গরাজ্যে ইলেক্টোরাল ভোট ৫৩৮টি। |
| সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য | হাওয়াই |
| পতাকায় তারকা | ৫০টি। |
| ফেডারেল জেলা | ১টি (District of Colombia) |
| স্বশাসিত অঞ্চল | ৫টি। |
| বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য | ক্যালিফোর্নিয়া (জনসংখ্যায়), আলাস্কা (আয়তনে)। |
| ক্ষুদ্রতম অঙ্গরাজ্য | উওমিং (জনসংখ্যায়), রোডস দ্বীপপুঞ্জ (আয়তনে)। |
| আইনসভা | কংগ্রেস (দ্বিক্ষবিশিষ্ট)। ডিস্ট্রিক অব কলম্বিয়া থেকে আইনসভার উচ্চকক্ষ সিনেটে কোনো প্রতিনিধি থাকে না। |
| ১ম প্রেসিডেন্ট | জর্জ ওয়াশিংটন |
| প্রেসিডেন্ট | ডোনাল্ড ট্রাম্প (৪৭তম) |
রাজনৈতিক ইতিহাস:
১৬০৭ সালে ব্রিটেনের বণিক সম্প্রদায় যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে উপনিবেশ গড়ে তোলে। এটাই ছিল উত্তর আমেরিকা মহাদেশে ব্রিটেনের প্রথম উপনিবেশ। পরবর্তীতে তারা যুক্তরাষ্ট্রের ১৩টি অঙ্গরাজ্যে উপনিবেশ গড়ে তোলে। যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় জর্জ এর স্বেচ্ছাচারিতা, ১৭৬৪ সালের সুগার অ্যাক্ট, ৫ মার্চ, ১৭৭০ সালের বোস্টন হত্যাকাণ্ড প্রভৃতি কারণে যুক্তরাজ্যের ১৩টি অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধিরা ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা ঘোষণা করে। টমাস জেফারসনের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি কমিটি স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের একটি খসড়া প্রস্তুত করে। এ ঘোষণাপত্রে ৫৬ জন প্রতিনিধি স্বাক্ষর করেন। স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ ছিলেন বেঞ্জামিন ফ্রাংলিন। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন জর্জ ওয়াশিংটন।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধে ফ্রান্স প্রত্যক্ষভাবে সাহায্য করে। ১৭৭৮ সালে ফ্রান্স উপনিবেশসমূহের সাথে একটি সামরিক চুক্তি করে। এ সামরিক চুক্তি অনুযায়ী ফ্রান্স উপনিবেশসমূহকে অস্ত্র ও সৈন্য দিয়ে সহযোগিতা করে এবং আটলান্টিক মহাসাগরে ব্রিটিশ নৌবাহিনীকে প্রতিরোধ করতে শুরু করে। মার্কিন ও ফ্রান্সের সৈন্যদের সম্মিলিত প্রতিরোধে ব্রিটিশ সেনাপতি কর্নওয়ালিশ অবরুদ্ধ হয়ে ১৭৮১ সালে আত্মসমর্পণ করেন। ২০ মার্চ, ১৭৮২ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব গৃহীত হয় এবং ১৭৮৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসানের জন্য ভার্সাইতে ৪টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা 'প্যারিসের শাস্তি চুক্তি' নামে পরিচিত। চুক্তি ৪টি হলোঃ
১. প্যারিস চুক্তি: ৩ সেপ্টেম্বর, ১৭৮৩ সালে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্যারিসে ১টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা 'প্যারিস চুক্তি' নামে পরিচিত।
২. ভার্সাই চুক্তি: যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স ও স্পেনের মধ্যে ভার্সাইয়ে ২টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা 'ভার্সাই চুক্তি' নামে পরিচিত।
৩. যুক্তরাজ্য ও ডাচদের মধ্যে ১টি চুক্তি প্যারিসে স্বাক্ষরিত হয়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি বাসভবন।
- হোয়াইট হাউজে বসবাসকারী প্রথম প্রেসিডেন্ট (২য় মার্কিন প্রেসিডেন্ট) জন এডামস।
- স্থাপতি- আইরিশ জেমস হোবান ।
- হোয়াইট এ বসবাস করেননি- প্রথম প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন।
- এডাল আফিস- হোয়াইট হাউসের অংশবিশেষ, মার্কিন প্রেসিডেন্ট সরকারি কার্যালয়।
- ভার্জিনিয়ায় অবস্থিত পেন্টাগন হলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার এক ঐতিহাসিক ও শ্রদ্ধার নিদর্শন হল স্ট্যাচু অব লিবার্টি'।
- এটি নিউইয়র্কের হাডসন নদীর তীরে যুক্তরাষ্ট্রের লিবার্টি আইল্যান্ডের নিউইয়র্ক পোতাশ্রয়ে স্থাপিত।
- ১৮৮৬ সালে ফ্রান্স এটি যুক্তরাষ্ট্রকে স্বাধীনতার ১০০ বছর পূর্তিতে উপহার দেয়।
- 'স্ট্যাচু অব লিবার্টি' আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় ১৮৮৬ সালের ২৮ অক্টোবর।
- "স্ট্যাচু অব লিবার্টি' জাতীয় সৌধ হিসাবে স্বীকৃতি পায় ১৯২৪ সালে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- ১৭৭৩ সালে বিভিন্ন ঘটনার পরিক্রমায় ব্রিটিশ পার্লামেন্টে 'চা আইন পাস হয়।
- 'চা আইন' এর প্রতিক্রিয়ায় আমেরিকানরা পালন করে বোস্টন চা পার্টি।
- বোস্টন চা পার্টি মূলত 'জাহাজ ভর্তি চা পাতা আটলান্টিক মহাসাগরে ফেলে দেয়ার মধ্য দিয়ে ব্রিটিশ বণিকদের বিরুদ্ধে আমেরিকার প্রতিবাদকে বুঝায়।
আইনসভা : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম কংগ্রেস এবং এটি দুই কক্ষ বিশিষ্ট:
হাউস অব রিপ্রেজেন্টটেটিভ : এটি আইনসভার নিম্নকক্ষ। এতে মোট ৪৩৫ জন সদস্য রয়েছেন, যারা প্রতিটি রাজ্যের জনসংখ্যার অনুপাতে নির্বাচিত হন। প্রতিনিধিদের মেয়াদ ২ বছর।
সিনেট: এটি আইনসভার উচ্চকক্ষ। এতে প্রতিটি রাজ্য থেকে ২ জন করে মোট ১০০ জন সদস্য রয়েছেন । সিনেটরদের মেয়াদ ৬ বছর।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
৯৯
১০০
১০৩
১০১
- পার্ল হারবার হলো যুক্তরাষ্ট্রের অধিভুক্ত হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত একটি নৌ ও বিমান ঘাঁটি।
- জাপান আক্রমণ করে ১৯৪১ সালের ৭ ডিম্বসের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ।
- এ আক্রমণের কারণেই যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- যুক্তরাষ্ট্র ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট হিরোশিমা ও ৯ আগস্ট নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটালে জাপান আত্মসমর্পণে বাধ্য হয় ।
- বর্তমানে এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
৭ ডিসেম্বর, ১৯৪০
৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১
৭ ডিসেম্বর, ১৯৪২
৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৩
- ঘোষণার সাল- ১৮২৩ সালের নভেম্বর মাসে।
- ঘোষণা করেন- যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো।
- বিষয়বস্তু- কোনো ইউরোপীয় রাষ্ট্র যদি পশ্চিম গোলার্ধের কোনো রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়, যা তাদের রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতার পরিপন্থী; তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেই ষড়যন্ত্রে বাধা দেবে।
- ঘোষণার সাল- ১২ মার্চ, ১৯৪৭ খ্রি.।
- ঘোষণা করেন- হ্যারি এস ট্রুম্যান।
- ট্রুম্যান ডক্ট্রিন ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি পররাষ্ট্রনীতি।
- বিষয়বস্তু - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপকে পুনর্গঠনের জন্য এবং তুরস্ক, গ্রিসের শঙ্কা থেকে ইউরোপকে রক্ষার জন্য আর্থিক প্যাকেজ।
- এটিকে ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল NATO গঠনের ভিত্তি বলা হয়।
- ঘোষণার সাল- ১৯৪৭ সালের ৫ জুন
- ঘোষণার উদ্দেশ্য- রাশিয়ার প্রভাব থেকে ইউরোপকে মুক্ত রাখার জন্য।
- প্রণয়ন করেন- সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ মার্শাল ।
- বিষয়বস্তু: একটি আর্থিক প্যাকেজ যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপকে সমাজতান্ত্রিক বলয় থেকে মুক্ত রাখতে এটি গৃহীত হয়।
- পশ্চিম ইউরোপের ১৬টি রাষ্ট্রকে মোট ১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সাহায্য করা হয়।
ডমিনো তত্ত্ব: আন্তর্জাতিক সম্পর্কে ডমিনো তত্ত্ব বলে একটা কথা আছে। যুক্তরাষ্ট্র পঞ্চাশের দশকে প্রথমবারের মতো এই তত্ত্বের কথা প্রচার করছিল। পঞ্চাশের দশকে ইন্দোচীনে যখন সমাজতন্ত্রীরা একের পর এক রাষ্ট্রে ক্ষমতাসীন হচ্ছিল, তখন যুক্তরাষ্ট্র এই ডমিনো তত্ত্বর কথা প্রচার করেছিল। উদ্দেশ্য ছিল একটাই, সমাজতন্ত্রীদের ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ । ডমিনো তত্ত্বে বলা হয়েছে, কোন একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে। অনেকগুলো তাস যদি দাড় করিয়ে রাখা যায়, একটিকে টোকা দিয়ে ফেলে দিলে এক এক করে পাশের তাসগুলোও পড়ে যাবে। এটাই হচ্ছে ডমিনো তত্ত্বের মূল কথা। একটি রাষ্ট্র যদি সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যায়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও এর প্রভাবে প্রভাবিত হবে এবং একসময় ওই রাষ্ট্রটিতেও সমাজতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
আমেরিকার বিদেশের মাটিতে প্রথম যুদ্ধ
আমেরিকানদের অন্যতম লাভজনক সংঘাত হলো মেক্সিকো যুদ্ধ। ১৮৪৬ থেকে ১৮৪৮ সালের মধ্যে সংঘটিত মেক্সিকো- আমেরিকা যুদ্ধটি হলো বিদেশের মাটিতে আমেরিকার প্রথম যুদ্ধ। এই যুদ্ধটি ছিল রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত এবং অপ্রস্তুত মেক্সিকোর বিরুদ্ধে আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জেমস কে পোলকের চাপিয়ে দেওয়া একটি যুদ্ধ। এর উদ্দেশ্য ছিল আমেরিকার সীমানাকে প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত করা। তৎকালীন আমেরিকা এবং মেক্সিকোর মধ্যবর্তী রিও গ্র্যান্ডে যুদ্ধ শুরু হয় এবং যুদ্ধে একে একে আমেরিকা জিততে থাকে। চূড়ান্তভাবে জয়ী হওয়ার পর মেক্সিকোর ভূখণ্ডের ৩ ভাগের ১ ভাগ ভূখণ্ড আমেরিকার দখলে চলে আসে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান হলেন প্রেসিডেন্ট।
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ডেমোক্রেটিক দলের মনোনয়নের জন্য নূন্যতম ১৯৯১ জন ডেলিগেটর সমর্থন প্রয়োজন ।
ইলেকটোরাল কলেজ [Electoral College]: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ইলেকটোরাল কলেজ কর্তৃক নির্বাচিত হন। সর্বমোট ৫৩৮ জন ইলেকটোরাল থাকেন। তারা সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার জন্য কমপক্ষে ২৭০টি ইলেকটোরাল ভোটের প্রয়োজন । ৫৩৮ জন ইলেকটোরালের মধ্যে ৪৩৫ জন হাউস অব রিপ্রেজেন্টটেটিভ সদস্য , ১০০ জন সিনেটর সদস্য এবং ৩ জন ডিসট্রিক্ট অব কলম্বিয়ার সদস্য ।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দিন: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ৪ বছর অন্তর অন্তর অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখ নভেম্বর মাসের ২৮ তারিখের মধ্যবর্তী মঙ্গলবার দিন। সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০২০ সালের ৩ নভেম্বর।
Bradley effect: যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন সম্পর্কিত শব্দ।
১৯৫১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ২২ তম সংশোধনী গৃহীত হয়। এতে বলা হয়, 'কোন ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না।'
চারজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট আততায়ীর হাতে নিহত হন। তাঁরা হলেন- আব্রাহাম লিঙ্কন (প্রথম), জেমস এ গারফিল্ড, উইলিয়াম ম্যাককিনলে এবং জন, এফ কেনেডি (সর্বশেষ ।
অভিশংসন: ৪৫ তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৯ ডিসেম্বর ২০১৯ সালে অভিশংসিত হয়। তার আগে আরো দুজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট অভিশংসিত হয়। ১৭তম প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্র জনসন ১৮৬৮ সালে এবং ৩৭তম প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ১৯৭৪ সালে অভিশংসিত হন।
☞ হোয়াইট হাউস
মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারী বাসভবন।
স্থপতি : জেমস হোবান।
অবস্থান : ওয়াশিংটন ডিসি
নির্মাণকাল: ১৭৯২-১৮০০ খ্রিস্টাব্দ।
হোয়াইট হাউসে প্রথম বসবাস করেছিলেন দ্বিতীয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এডামস। প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটনের সময় হোয়াইট হাউজের নির্মাণ কাজ হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন কখনো হোয়াইট হাউসে বসবাস করেন নি।
ওভাল অফিস Oval Office: মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারী কার্যালয়। হোয়াইট হাউসের অংশবিশেষ।
☞ জর্জ ওয়াশিংটন
প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন।
☞ আব্রাহাম লিংকন
১৬ তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট। [১৮৬১-১৮৬৫]
আমেরিকার গৃহযুদ্ধের [ American Civil War, 1861-1865] সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তাঁর অসাধারণ নেতৃত্বের কারণে দেশটির ভাঙ্গন ঠেকানো সম্ভব হয়।
১৮৬৩ সালে দাসত্ব-মোচন ঘোষণার মাধ্যমে [ Emancipation Proclamation ] যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ করেন। ১৮৬৫ সালের ৬ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে দাসত্ব প্রথার বিলুপ্ত হয়।
১৮৬৩ সালের ২১ নভেম্বর প্রেসিডেন্ট লিঙ্কন গেটিসবার্গে দুই মিনিট ক্ষণস্থায়ী ভাষণ দেন যা গেটিসবার্গ ভাষণ [Gettysburg Address] নামে পরিচিত। তিনি বলেন, 'জনসাধারণের জন্য, জনসাধারণের দ্বারা পরিচালিত এবং জনসাধারণের সরকারই হলো গণতন্ত্র। (Democracy is a government of the people, by the people, for the people)
আব্রাহাম লিঙ্কনের বিখ্যাত উক্তি 'বুলেটের চাইতে ব্যালট শক্তিশালী' [The ballot is stronger than bullet] .
লিংকন তাঁর দ্বিতীয় অভিষেক ভাষণে বলেন, 'With malice toward none, with charity for all; with firmness in the right, as God gives us to see the right .
১৮৬৫ সালের ১৫ এপ্রিল আততায়ীর গুলিতে নিহত হন।
☞ ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ৩২তম ডি রুজভেল্ট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৩৩-৪৫ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি টানা ৪ বার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং দীর্ঘ ১২ বছর ক্ষমতায় ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে তিনিই একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি দুইবারের অধিক সময়ের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
৩২ তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট। [১৯৩৩-১৯৪৫]
টানা চারবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে তিনি একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি দুইবারের অধিক সময়ের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
অর্থনৈতিক মন্দা ও নিউ ডিল: ১৯২৯ সালের ২৯ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে ধ্বসের মাধ্যমে [ব্লাক টুইসডে] বিশ্বব্যাপী চরম অর্থনৈতিক মন্দা [ Great Depression ] শুরু হয়। এই মন্দা ১৯৪০ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয় । এই মন্দা মোকাবেলার জন্য প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট ১৯৩৩ নিউ ডিল [New Deal] ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছিলেন।
☞ হ্যারি এস ট্রুম্যান
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩তম প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে বোমা ফেলার নির্দেশ দেন। কমিউনিজম প্রতিরোধের জন্য তিনি ট্রুম্যান ডকট্রিন নামে একটি নীতি প্রকাশ করেন।
৩৩ তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট
তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে আনবিক বোমা ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
১৯৪৭ সালের ১২ মার্চ কমিউনিজম প্রতিরোধের জন্য মার্কিন কংগ্রেসে ট্রম্যান একটি নীতি প্রকাশ করেন, যা 'টুম্যান ডকট্রিন' [Truman Doctrine) নামে পরিচিত।
☞ ট্রুম্যান ডকট্রিন:
১২ মার্চ, ১৯৪৭ সালে হ্যারি এস ট্রুম্যান ঘোষণা করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন বিশ্বরাজনীতিতে বিচ্ছিন্নতার নীতি (মনরো ডকট্রিন) অনুসরণ করে আসছে। কিন্তু সোভিয়েত ইউনিয়নের সাম্যবাদ প্রসার রোধ করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র সেই নীতি থেকে সরে আসবে। এর ফলে যেসব জাতি সশস্ত্র সংখ্যালঘুদের কিংবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের আক্রমণের শিকার হবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের আর্থিক ও সামরিক সাহায্য প্রদান করবে। এভাবে বিচ্ছিন্নতার নীতি থেকে সামরিক সক্রিয়তার যে নীতি ট্রুম্যান ঘোষণা করেন, তাই ইতিহাসে 'ট্রম্যান ডকট্রিন' নামে পরিচিত।
☞ জন এফ কেনেডি
৩৫ তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট। [১৯৬১-১৯৬৩]
কেনেডি তাঁর অভিষেক ভাষণে বলেন, 'Ask not what your country can do for you, Ask you can do for your country' তিনি আরও বলেন, 'Let us never negotiate out of fear. But let us never fear to negotiate'
'কিউবার ক্ষেপনাস্ত্র সঙ্কট' [ Cuban Missile Crisis] তাঁর সময়কালের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী একমাত্র মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
১৯৬৩ সালের ২২ নভেম্বর গুপ্তঘাতকের হাতে নিহত হন।
☞ রিচার্ড নিক্সন
৩৭ তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট। [১৯৬৯-১৯৭৪]
ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারী Watergate scandal]: ১৯৭২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সম্পর্কিত একটি রাজনৈতিক কেলেঙ্কারী। ওয়াটারগেট হোটেল ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি.সি তে ডেমোক্রেট জাতীয় কমিটির সদর দপ্তর। প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ছিলেন রিপাবলিক দলের প্রার্থী। তিনি টেপ রেকর্ডারের মাধ্যমে ডেমোক্রেটদের সদর দপ্তরে আড়ি পাতেন। ১৯৭২ সালের ১৭ জুন ওয়াটার গেটে ৫ জন লোক ধরা পড়লে এই ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়। এই ঘটনার জন্য তিনি ১৯৭৪ সালের ৯ আগস্ট পদত্যাগে বাধ্য হন। রিচার্ড নিক্সন একমাত্র মার্কিন প্রেসিডেন্ট যিনি পদত্যাগ করেছিলেন।
☞ জেরাল্ড ফোর্ড
রিচার্ড নিক্সন পদত্যাগ করলে সাংবিধানিকভাবে প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত হন জেরাল্ড ফোর্ড। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে তিনিই একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হননি। নিক্সন ও ফোর্ডের মন্ত্রিসভায় পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন হেনরি কিসিঞ্জার। কিসিঞ্জারের বিখ্যাত গ্রন্থ 'White House Years'.
☞ জিমি কার্টার
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৯তম প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার ১৯৭৭-৮১ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তার আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'White House Diary'.
☞ রোন্যান্ড রিগ্যান
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪০তম প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট অভিনেতা রোনাল্ড রিগ্যান ১৯৮১-৮৯ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি ইরান-কন্ট্রা কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েন।
৪০ তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট। [১৯৮১-১৯৮৯]
একজন চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা ছিলেন।
১৯৮৩ সালে ভূমি ও মহাকাশে পরমাণু ক্ষেপনাস্ত্রের আক্রমণ থেকে প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা হাতে নেন, যা SDI [Strategic Defense Initiative) নামে পরিচিত। সমালোচকেরা একে নক্ষত্র যুদ্ধ (Star War)- এর পরিকল্পনা হিসাবেও অভিহিত করেন।
১৯৮৩ সালে গ্রানাডায় সামরিক আগ্রাসন চালান।
☞ বিল ক্লিনটন
মার্কিন ৪২তম যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ১৯৯৩-২০০০ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি সৎ পিতার পদবী ব্যবহার করতেন। তার স্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। বিল ক্লিনটনের আত্মজীবনী 'My Life' এবং হিলারি ক্লিনটনের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'Living history'.
☞ জর্জ ডব্লিউ বুশ
যুক্তরাষ্ট্রের ৪৩তম প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ ২০০১-২০০৯ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা পররাষ্ট্রমন্ত্রী কন্ডোলিৎসা রাইন ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশের মন্ত্রিসভার সদস্য।
৪৩ তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট। [ ২০০১-২০০৯ ]
৯/১১ [Nine-eleven): ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসবাদী সংগঠন আল কায়েদার কতিপয় সদস্য বিমান ছিনতাই করে যুক্তরাষ্ট্রের টুইন-টাওয়ার, পেন্টাগনসহ বিভিন্ন স্থানে নজিরবিহীন আত্মঘাতী বিমান হামলা চালায়। এই ঘটনা ৯/১১ নামে পরিচিত।
বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র [ World Trade Centre ] : ১১০ তলা বিশিষ্ট বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র নিউইয়র্কে অবস্থিত ছিল। ৯/১১ এর সন্ত্রাসী বিমান হামলায় এটি পুরোপুরি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ারের ধ্বংসস্তুপ অঞ্চলটি এখন 'গ্রাউন্ড জিরো' [Ground Zero] নামে রচিত। ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের স্থানে নির্মিতব্য টাওয়ারের নাম 'ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার-১' । ৫৪১ মিটার উচু এ ভবনটির নির্মাণ কাজ শেষ হয় ২০১১ সালে।
পেন্টাগন [Pentagon]: ভার্জিনিয়ার আরলিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর।
Department of Homeland Security: যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে সন্ত্রাসী হামলা প্রতিরোধের জন্য ২০০২ সালে গঠন করা হয়।
অপারেশন এনডুরিং ফ্রিডম [Operation Enduring Freedom]: সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধের অংশ হিসাবে ২০০১। সালে আফগানিস্তানে পরিচালিত মার্কিন অভিযান।
অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম [ Operation Iraqi Freedom ] : সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অংশ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০০৩ সালের ২০ মার্চ ইরাক আক্রমণ করে ।
আবু গারিব [Abu Gharib]: ইরাকের একটি কারাগার। এই কারাগারে মার্কিন সৈন্যরা ইরাকি মুসলিম কয়েদিদের অমানবিক নির্যাতন করে ।
গুয়ানতানামো বে বন্দিশালা [Guantenemo Jaill ] : কিউবায় অবস্থিত কুখ্যাত মার্কিন সামরিক বন্দীশালা।
☞ বারাক ওবামা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪তম প্রেসিডেন্ট কেনিয় বংশোদ্ভূত, যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ২০০৯-১৭ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন। ২০০৯ সালে শাস্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তার বিখ্যাত গ্রন্থ 'Dreams from my father, The Audacity of Hope, Change You Can Believe In.
৪৪তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট। প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিন প্রেসিডেন্ট। কেনীয় বংশোদ্ভূত। ৩৬৫ ইলেকটোরাল ভোট পেয়ে ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রার্থী হিসাবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
২০ জানুয়ারি, ২০০৯ প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
২২ জানুয়ারি, ২০০৯ গুয়ান্তানামো বে বন্ধ ঘোষণা করেন।
প্রেসিডেন্টে বারাক হোসাইন ওবামা মিশরের কায়রোর আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে মুসলিম বিশ্বের প্রতি শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন। ২০০৯ শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
ইলিনয় রাজ্যের সিনেটর ছিলেন ।
২০২০ সালের ১৭ নভেম্বর প্রকাশিত হবে ৪৪তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রেসিডেন্ট থাকাকালে নানা স্মৃতি নিয়ে লেখা বইয়ের প্রথম খণ্ড। 'A Promised Land" নামের ৭৬৮ পৃষ্ঠার ঐ স্মৃতিকথা প্রকাশিত হয় ২৫টি ভাষায়। বারাক ওবামার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো: 'Dreams from My Father', 'The Audacity of Hope', "Change we can Believe in' এবং শিশুদের জন্য লেখা 'Of the Eye Sing'
☞ ডোনাল্ড ট্রাম্প
৪৫তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ৩০৪ ইলেকটোরাল ভোট পেয়ে রিপাবলিক দলীয় প্রার্থী হিসাবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
২০ জানুয়ারি, ২০১৭ প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
☞ জো বাইডেন
৪৬তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ৩০৬ ইলেকটোরাল ভোট পেয়ে রিপাবলিক দলীয় প্রার্থী হিসাবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
২০ জানুয়ারি, ২০২১ প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
☞ ডোনাল্ড ট্রাম্প
৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ২৭৯ টি ইলেকটোরাল ভোট পেয়ে রিপাবলিক দলীয় প্রার্থী হিসাবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
২১ জানুয়ারি, ২০১৫ প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদের ব্যক্তিগণ :
ভাইস প্রেসিডেন্ট : জেমস ডেভিড ভ্যান্স
হাউস অব রিপ্রেজেন্টটেটিভের স্পিকার : জেমস মাইকেল জনসন
প্রধান বিচারপতি : জন জি রবার্টস
পররাষ্ট্রমন্ত্রী : মার্কো রুবিও
অর্থমন্ত্রী : স্কট কেনেথ হোমার বেসেন্ট
প্রতিরক্ষামন্ত্রী : পিট হেগসেথ
উপাদান | তথ্য |
|---|---|
| রানিং মেট | যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্টকে রানিং মেট বলে। |
| রাজনৈতিক দল | ১. ডেমোক্র্যাট: নির্বাচনের প্রতীক- গাধা ২. রিপাবলিক: নির্বাচনের প্রতীক- হাতি |
| যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ ভ্রমণ | • মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় ২০০০ সালের ২০মার্চ একদিনের সফরে ঢাকা এসেছিলেন। • যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট হিসেবে জিমি কার্টার বাংলাদেশ সফর করেন ২০০১ সালের ২ আগস্ট। |
| মার্টিন লুথার কিং | • যুক্তরাষ্ট্রের নিগ্রোদের অধিকার আদায় আন্দোলনের অহিংসবাদী নেতা। • 1964 সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান। • ১৯৬৩ সালের ওয়াশিংটনের লংমার্চের নেতৃত্ব দেন এবং এ সময় I Have a Dream শীর্ষক বিখ্যাত ভাষণটি প্রদান করেন। • ১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল আততায়ীর গুলিতে নিহত হন। |
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- আমেরিকার রাজধানী জর্জ ওয়াশিংটনের নামে
- প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ১৭৭৯ সালে
- তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় সেনাধ্যক্ষ ছিলেন।
- ১৮৬৩ সালে Emancipation Proclamation ঘোষণা করেন
- ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ করেন।
- তাঁর সময়ে আমেরিকার গৃহযুদ্ধ (১৮৬১-১৮৬৩) হয়। ১৮৬৫ সালে আততায়ীর গুলিতে মারা যায়।
- তিনি 'গ্রিনব্যাক নামে এক ধরনের কাগজের মুদ্রা চালু করেন। ১৮৬৩ সালে তিনি দুই মিনিট স্থায়ী বিখ্যাত গেটিসবার্গ ভাষণ দেন।
- তাঁর দুটি বিখ্যাত উক্তি-
১. বুলেটের চেয়ে ব্যালট শক্তিশালী।
২. Democracy is a government of the people by the people and for the people.
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধেরে সময় তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- তিনি ছিলেন ২৮ তম প্রেসিডেন্ট।
- জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠায় ‘চৌদ্দ দফা' ঘোষণা করেন।
- লিগ অব ন্যাশনসের নামকরণ করেন।
- ট্রুম্যান ডক্টিন এর জন্য বিখ্যাত ।
- তিনি ছিলেন ৩৩তম প্রেসিডেন্ট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিকে দায়িত্ব পালন করা এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জাপানের হিরোশিমায় আণবিক বোমা নিক্ষেপের ঘোষণা দেন।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
☞ জন এফ কেনেডি
৩৫ তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট। [১৯৬১-১৯৬৩]
কেনেডি তাঁর অভিষেক ভাষণে বলেন, 'Ask not what your country can do for you, Ask you can do for your country' তিনি আরও বলেন, 'Let us never negotiate out of fear. But let us never fear to negotiate'
'কিউবার ক্ষেপনাস্ত্র সঙ্কট' [ Cuban Missile Crisis] তাঁর সময়কালের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী একমাত্র মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
১৯৬৩ সালের ২২ নভেম্বর গুপ্তঘাতকের হাতে নিহত হন।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- ওয়াটার গেট কেলেংকারীর সাথে জড়িত।
- যুক্তরাষ্ট্রের পদত্যাগকারী প্রেসিডেন্ট।
- আমেরিকার ৩৭তম প্রেসিডেন্ট।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- বসনিয়া যুদ্ধবিরতি স্বাক্ষর করার সময় মধ্যস্থতাকারী ছিলেন।
- ৩৯তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থের নাম- 'White House Diary.
- হলিউডের অভিনেতা ছিলেন।
- তিনি ছিলেন ৪০তম প্রেসিডেন্ট।
- যুক্তরাষ্ট্র গ্রানাডায় সামরিক আগ্রাসন চালান।
- ২০০০ সালে তিনি ১ দিনের সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন।
- ৪২তম প্রেসিডেন্ট।
- তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থের নাম-
'My Life'.
The President is Missing (Novel).
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- তিনি ছিলেন সাবেক ৪৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের পিতা ।
- তিনি পানামার স্বৈরশাসক জেনারেল নরিয়েগাকে উৎখাত করেছিলেন।
- তিয়েনআনমেন স্কয়ারে ১৯৮৯ সালে ছাত্রদের ওপর নিগ্রহের পর চীনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বুশ সরকার।
- ৪৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট
- তাঁর সময়ে আল কায়দা যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ার, পেন্টাগনসহ বিভিন্ন স্থানে আত্মঘাতী বিমান হামলা চালায় যা Nine-eleven নামে পরিচিত।
- টুইন টাওয়ারের ধ্বংসস্তুপটি এখন গ্রাউন্ড জিরো নামে পরিচিত
- সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধের অংশ হিসেবে ২০০১ সালে আফগানিস্তানে
- Oppression enduring freedom পরিচালনা করেন ।
- ২০০৩ সালের ২০ মার্চ ইরাকে আক্রমণ করেন war on terror নামে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- ৪৪তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
- প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিন প্রেসিডেন্ট কেনীয় বংশোদ্ভূত।
- ২০০৯ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন কিউবায় অবস্থিত কুখ্যাত মার্কিন সামরিক বন্দীশালা গুয়ানতানামো বে ২০০৯ সালে বন্ধ ঘোষণা করেন।
- ২০০৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ইলিনয় রাজ্যের সিনেটর ছিলেন।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- সবচেয়ে বেশি বয়সে (৭৭ বছর বয়সে) মার্কিন প্রেসিডেন্ট (৪৬তম) নির্বাচিত হন।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পপুলার ভোট লাভ করেন।
- তিনি দীর্ঘসময় ডেলাওয়্যার অঙ্গরাজ্যের সিনেটর (১৯৭৩- ২০০১) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি আমেরিকার ৪৪তম প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
জো বাইডেনের বিখ্যাত গ্রন্থ:
“Promises to Keep ”
"Promise Me, Dad"
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- ক্ষমতায় ছিলেন- ১২ বছর (দুই মেয়াদের বেশি)।
- ৩২ তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
- জাতিসংঘ নামকরণ করেন।
- পুলিত্জার পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি ছিলেন আমেরিকার ৩৫তম প্রেসিডেন্ট।
- তাঁর বিখ্যাত উক্তি-
Ask not what your country can do for you, ask you can do for your country.
Let us never negotiate out of fear, but let us never fear to negotiate.
☞ ডোনাল্ড ট্রাম্প
৪৫তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ৩০৪ ইলেকটোরাল ভোট পেয়ে রিপাবলিক দলীয় প্রার্থী হিসাবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
২০ জানুয়ারি, ২০১৭ প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
☞ ডোনাল্ড ট্রাম্প
৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ২৭৯ টি ইলেকটোরাল ভোট পেয়ে রিপাবলিক দলীয় প্রার্থী হিসাবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
২১ জানুয়ারি, ২০১৫ প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদের ব্যক্তিগণ :
ভাইস প্রেসিডেন্ট : জেমস ডেভিড ভ্যান্স
হাউস অব রিপ্রেজেন্টটেটিভের স্পিকার : জেমস মাইকেল জনসন
প্রধান বিচারপতি : জন জি রবার্টস
পররাষ্ট্রমন্ত্রী : মার্কো রুবিও
অর্থমন্ত্রী : স্কট কেনেথ হোমার বেসেন্ট
প্রতিরক্ষামন্ত্রী : পিট হেগসেথ
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- ওয়াল স্ট্রিট হলো নিউইয়র্কের একটি সড়ক ।
- এটি শেয়ার বাজারের জন্য বিখ্যাত ।
- এখানে 'নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ' অবস্থিত।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
আমেরিকার সংবিধান
- সংবিধান গৃহীত হয় ১৭৮৭ সালের ফিলাডেলফিয়ায় ।
- নাগরিক অধিকার সম্পর্কিত প্রথম ১০ সংশোধনীকে বলা হয় বিল অব রাইটস'।
- 'বিল অব রাইটস' মার্কিন সংবিধানে অন্তর্ভূক্ত হয় ১৭৯২ সালে
- বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম সংবিধান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান।
- মার্কিন সংবিধানের অনুচ্ছেদ সংখ্যা- ৭টি।
- আমেরিকায় নারীর ভোটাধিকার স্বীকৃত হয় ১৯২০ সালে।
- মার্কিন সংবিধানের সর্বপ্রথম স্বাক্ষর করেন জর্জ ওয়াশিংটন।
- যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্টের নাম- কংগ্রেস (দ্বিকক্ষবিশিষ্ট), ভবনের নাম ক্যাপিটাল হিল ।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার জন্য ইলেক্টোরাল ভোটের প্রয়োজন ২৭০টি।
- সবচেয়ে বেশি ইলেক্টোরাল ভোট (৫৫টি) রয়েছে- ক্যালিফোর্নিয়া (জনসংখ্যায় বৃহত্তম)।
পার্লামেন্ট ও নির্বাচন
- যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্টের নাম- কংগ্রেস (দ্বিকক্ষবিশিষ্ট)
- মোট আসন সংখ্যা ৫৩৮ টি
কংগ্রেস | আসন সংখ্যা |
|---|---|
| উচ্চ কক্ষ (সিনেট) | ১০০টি |
| নিম্ন কক্ষ (হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ) | ৪৩৫ টি |
| সংরক্ষিত আসন | ৩ টি |
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার জন্য প্রয়োজন- ২৭০ টি ইলেক্টোরাল ভোট
- যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে বৈষম্য বিষয়ক একটি তত্ত্ব- ব্রাডলি ইফেক্ট।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে তিনি যাকে ভাইস প্রেসিডেন্ট বানাবেন তাকে বলা হয়- রানিং মেট।
- ১৯২৯ সালের ২৯ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে ধ্বসের মাধ্যমে (Black Tuesda) বিশ্বব্যাপী চরম অর্থনৈতিক মন্দা (Great Depression) শুরু হয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ১৯৩৩ সালে নির্বাচিত হয়ে মহামন্দা মোকাবিলায় 'নিউ ডিল' ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- অর্থনৈতিক মন্দা শুরু হয়েছিল- ১৯২৯ সালের ৪ সেপ্টেম্বর এবং চলেছিল ১৯৪১ সাল পর্যন্ত।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান ১৯৮৩ সালের ২৩ মার্চ ভূমি ও মহাকাশে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা হাতে নেন যা SDI (Strategic Defense Initiative) নামে পরিচিত। একে সমালোচকরা নক্ষত্র যুদ্ধ (Star War) এর পরিকল্পনা হিসেবেও অভিহিত করেন।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন হলে তারকা যুদ্ধের বিষয়টি স্তিমিত হয়ে যায়।
- প্রকাশের সাল ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দ।
- নীতি প্রকাশ করেন মার্কিন কূটনীতিক জন এফ কেনান।
- লক্ষ্য- স্নায়ুযুদ্ধকালীন কমিউনিজমের বিস্তার রোধ।
লক্ষ্য- পঞ্চাশের দশকে ইন্দোচীনে সমাজতন্ত্রীদের ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ।
তত্ত্বে বলা হয়েছে- কোন একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে।
কানাডা (Canada) উত্তর আমেরিকার উত্তরাংশে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র। এর দশটি প্রদেশ আটলান্টিক মহাসাগর থেকে প্রশান্ত (Pacific) মহাসাগর এবং উত্তরে আর্কটিক মহাসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত যা পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র। উত্তর আমেরিকার উত্তর-পূর্বাংশে যে প্রাচীন শিলা গঠিত ক্ষয়প্রাপ্ত মালভূমি অবস্থান করছে তাকে কানাডীয় শিল্ড অঞ্চল বলা হয়।
- রাষ্ট্রীয় নামঃ The Republic of Canada
- রাজধানীঃ অটোয়া
- ভাষাঃ ইংরেজি
- মুদ্রাঃ ডলার
জেনে নিই
- উত্তর আমেরিকার সর্ববৃহৎ দেশের নাম- কানাডা ।
- কানাডার রাজধানী- অটোয়া।
- কানাডার বিখ্যাত শহর- টরেন্টো, মন্ট্রিল ও ভিক্টোরিয়া।
- ম্যাপল পাতার দেশ নামে খ্যাত- কানাডা। কানাডা বিখ্যাত- কাগজ শিল্পের জন্য।
- 'লো সিল্ক ট্রেড প্রোগ্রাম' জড়িত- কানাডার সাথে।
- লিলি ফুলের দেশ বলা হয়- কানাডাকে ।
- কানাডার মুদ্রায় ব্রিটেনের রানীর ছবি আছে।
- কানাডার জাতীয় টাওয়ার টরেন্টোতে অবস্থিত- সিএন টাওয়ার।
- কানাডায় ফরাসি ভাষী জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি বাস করে- কুইবেক প্রদেশে।
- কুইবেককে বলা হয়- পশ্চিমের জিব্রাল্টার কানাডা।
- শান্তি সেতু (Peace Bridge) যুক্তরাষ্ট্র- কানাডা সীমানায় নায়াগ্রা নদীর উপর।
- আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম জলপ্রপাত- নায়াগ্রা ।
- নায়াগ্রা জলপ্রপাত যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমানায় অবস্থিত।
- উত্তর আমেরিকার বৃহত্তম পার্ক উড রাফালো- ন্যাশনাল পার্ক ।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- রাষ্ট্রীয় নামঃ The United Mexican States
- রাজধানীঃ ম্যাক্সিকান সিটি
- ভাষাঃ স্প্যানিশ
- মুদ্রাঃ ম্যাক্সিকান পেসো
জেনে নিই
- কানকুন অবস্থিত- মেক্সিকো।
- মেক্সিকো এর রাজধানী- মেক্সিকো সিটি মেক্সিকোকে বলা হয় পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি ।
- গ্লোবাল গ্যাগ রুল- মেক্সিকো সিটিকে নিয়ে পলিসি।
- ১৮৪৬ সালে সংঘটিত হয় মেক্সিকো-আমেরিকা যুদ্ধ ।
- প্রাচীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় সভ্যতা ‘মায়া সভ্যতা' গড়ে উঠেছিল মেক্সিকোতে।
- ইউকাটাল খাল সংযুক্ত করেছে মেক্সিকো উপসাগর ও ক্যারিবিয়ান সাগরকে ।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
উত্তর আমেরিকা
দক্ষিণ আমেরিকা
ইউরোপ
আফ্রিকা